প্রচ্ছদ / অর্থনীতি / বিস্তারিত

করের আওতায় আসছে ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল

৫ এপ্রিল ২০১৮, ৩:২৫:৪২

ঢাকা, ০৫ এপ্রিলকারেন্ট নিউজ বিডিজনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ভিডিও আদান-প্রদানের ওয়েবসাইট ইউটিউব এবং সর্ববৃহৎ অনুসন্ধান ইঞ্জিন গুগলসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান করের আওতায় আসছে।

অনলাইনে এসব মধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচুর অর্থ আয় করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার এ থেকে কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না। অথচ দেশীয় গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অবস্থায় ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলকে করের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এনবিআর বলছে, আগমী ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেটে এদেরকে করের আওতায় আনা হবে।

বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে সংবাদপত্র শিল্প মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো) নেতাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ বিষয়ে কথা হয়। এতে বক্তারা ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলকে করের আওতায় আনার আহ্বান।

সভায় নোয়াবের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, ইউটিউব-ফেসবুকে অবাধ বিজ্ঞাপনের কারণে রাজস্ব বঞ্চিত হতে হচ্ছে। ইউরোপসহ উন্নত বিশ্ব এমনকি ভারতেও এদের ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এটা হচ্ছে না।

সংবাদপত্রের ভাবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে শুল্ক-কর প্রত্যাহার, কর্পোরেট কর হার হ্রাস, বিজ্ঞাপনের ওপর অগ্রিম আয়কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার করতে হবে।

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আগামী বাজেটে এর প্রতিফলন থাকবে। এদেশে ইউটিউব ও ফেসবুকের প্লানেস হচ্ছিল এতো দিন। প্লানেসের দিন শেষ হয়েছে। এখন তাদের করের আওতায় আনা হবে।

উবার, পাঠাওসহ রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোকেও করের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এসব রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো করের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই তাদেরকেও আগামী বাজেটে করের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: